আজ বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২২/১, তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে “নির্যাতিত সাংবাদিক ও গণতন্ত্র” শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি কামাল উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে ও ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের সাবেক চীফ হুইপ ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের অন্যতম উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক এম.পি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াদুদ ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিক ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আ.ক.ম রুহুল আমিন, সিলেট বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট মাওলানা রশিদ আহমেদ, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) এর সভাপতি আবু সালেহ আকন, এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন কবির, দপ্তর সম্পাদক জাকির হোসেন জীবন, মফস্বল সম্পাদক মতিউর রহমান সরদার, এস.এম তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

জয়নুল আবদীন ফারুক বলেন, ২০১৪ সালের মত হাসিনার অধীনে পাতানো নির্বাচন বাংলার মাটিতে করতে দেওয়া হবে না। খালেদা জিয়া নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। ২০১৮ সালে নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহণ করবে। ইনশাল্লাহ। আমরা জয়ই হব। আরো বলেন- বিএনপি’র ধ্বংস হবার জন্ম হয়নি। কোন ষড়যন্ত্র বিএনপিকে ধ্বংস করতে পারবে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুল কাদের ও তোফায়েল আহমেদ কে উদ্দেশ্য করে বলেন- ২০০৮ সালে আমি যখন এমপি হিসেবে নির্যাতিত হই তখন তারা মন্ত্রী ছিলেন না আমাকে বলেছিলেন প্রতিবাদ করার জন্য আজ তারা বিএনপিকে ধ্বংসের পায়তারা করছে। ২০১৪ সালের বিএনপি এখন নয়। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে গুম, খুন ও নির্যাতনের রাজনীতি করবে না।

বক্তারা বলেন- ২০১৭ সালে বাংলাদেশে ২২ জন সাংবাদিক খুন হয়েছে, শতাধিক সাংবাদিক বিভিন্ন সময়ে নির্যাতিত হয়েছে। উৎফলের মত অনেক সাংবাদিক নিখোঁজ আছে। সরকার তাদের কোন খোজ দিতে পারে নাই।