সমালোচিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা তথ্যপ্রযুক্তি আইন থেকে সরিয়ে সেগুলো আরও বিশদ আকারে যুক্ত করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের প্রস্ত্মাবে চূড়ান্ত্ম অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
এ আইন পাস হলে হ্যাকিং; ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরম্নদ্ধে ‘অপপ্রচার’; রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করতে বা ভয়ভীতি সৃষ্টির জন্য কম্পিউটার বা ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং ডিজিটাল উপায়ে গুপ্তচরবৃত্তির মতো অপরাধে ১৪ বছরের কারাদ-ের পাশাপাশি কোটি টাকা পর্যন্ত্ম অর্থদ- বা উভয় দ- দেয়া যাবে।
আর ইন্টারনেটে কোনো প্রচার বা প্রকাশের মাধ্যমে ‘ধর্মীয় অনুভূতি বা মূল্যবোধে আঘাত’ করার শাস্ত্মি হবে ১০ বছরের জেল, ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দ-।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ এর খসড়া এই অনুমোদন পায়।
পরে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নতুন আইন পাস হলে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা বিলুপ্ত হবে।
তার বদলে এসব ধারার বিস্ত্মারিত ব্যাখ্যা করে অপরাধের প্রকৃতি অনুযায়ী শাস্ত্মির বিধান রাখা হচ্ছে নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সাইবার ক্রাইমের আধিক্য অনেক বেশি। সাইবার ক্রাইমের অনেকবার শিকার হয়েছি আমরা, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অনেক প্রতিষ্ঠান এতে আক্রান্ত্ম হয়েছে। কমব্যাট করার জন্য আমাদের কোনো আইন নাই, এজন্য নতুন আইন করা হচ্ছে।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনে যেসব বিষয় ছিল না, নতুন আইনে সেগুলো রাখা হয়েছে। সাইবার অপরাধের যত ধরনের বিষয় আছে, সবই সেখানে থাকবে।
এই আইন পাস হলে ১১ সদস্যের একটি ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিল’ গঠন করা হবে, যার প্রধান হবেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া মাঠের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি গঠন করা হবে, যার নেতৃত্বে থাকবেন একজন মহাপরিচালক। কিছু ক্ষেত্রে ‘প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা’ নেয়ার ক্ষমতাও তার থাকবে।
শফিউল আলম বলেন, ‘কতিপয় তথ্য বা উপাত্ত বস্নক করার ক্ষমতা তার হাতে থাকছে। ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত তথ্য-উপাত্ত ডিজিটাল নিরপত্তায় হুমকি সৃষ্টি করলে তিনি সেসব তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ক্ষেত্র অনুযায়ী বস্নক করার জন্য বিটিআরসিকে অনুরোধ করতে পারবেন।’
এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে যদি প্রতিয়মান হয় যে, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত দেশের বা দেশের অর্থনৈতিক কর্মকা-, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ন করে বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণা সৃষ্টি করে- তাহলে সেসব তথ্য বা উপাত্ত বস্নক করার জন্য তারাও বিটিআরসিকে অনুরোধ করতে পারবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সির অধীনে সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য একটি ‘জাতীয় কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম’ গঠন এবং ডিজিটাল ফরেনিসিক ল্যাব স্থাপনের কথাও খসড়ায় বলা হয়েছে।

৫৭ ধারা যাবে নতুন আইনে
তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা বিলুপ্ত হবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আগে ৫৭ ধারায় সব ছোট করে লেখা ছিল। এখন যেটা যে প্রকৃতির অপরাধ সে অনুযায়ী শাস্ত্মি নির্ধারণ করা হয়েছে। তদন্ত্ম কীভাবে করা হবে সেটা ডিটেইল করা হয়েছে, যেটা আগে ছিল না।’
বিভিন্ন অপরাধ এবং অপরাধের তদন্ত্মের সময়সীমাও নতুন আইনে বিস্ত্মারিতভাবে বর্ণানা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
২০০৬ সালে হওয়া এ আইনটি ২০০৯ ও ২০১৩ সালে দুই দফা সংশোধন করা হয়। সর্বশেষ সংশোধনে সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর থেকে ১৪ বছর কারাদ- করা হয়। আর ৫৭ ধারার অপরাধকে করা হয় জামিনঅযোগ্য।
ওই ধারাকে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থি দাবি করে সেটি বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মীরা।
৫৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যা মিথ্যা ও অশস্নীল বা সংশিস্নষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ পড়লে, দেখলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন অথবা যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরম্নদ্ধে উসকানি প্রদান করা হয়, তাহলে এ কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলে আসছিলেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইন থেকে ৫৭ ধারা বাদ দিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে এ বিষয়ে ‘বিভ্রান্ত্মি’ দূর করা হবে।
এখন তথ্যপ্রযুক্তি আইন থেকে সরিয়ে ওই ধারার বিষয়বস্ত্মু আরও বিশদ আকারে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সন্নিবেশ করা হলে তাতে অপব্যবহারের সুযোগ বন্ধ হবে কি না, সেই প্রশ্ন থেকেই যাবে।
প্রস্ত্মাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বিভিন্ন অপরাধের গুরম্নত্ব বিবেচনা করে জামিনযোগ্য ও জামিন অযোগ্য বেশ কয়েকটি ধারা রাখা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
তিনি বলেন, প্রস্ত্মাবিত আইনের ১৭, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ২৭, ২৮, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪ ধারা হবে আমলযোগ্য ও জামিন অযোগ্য। আর ২০, ২৫, ২৯ ও ৪৮ ধারা অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য। অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য অপরাধগুলো আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপসযোগ্য হবে।
এ আইনের আওতায় সাংবাদিকদের বিরম্নদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা যাবে কি না- এমন প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘না না, এখানে সাংবাদিকদের কোনো উলেস্নখ করা হয়নি। সাংবাদিকদের কোথাও টার্গেট করা হয়নি।’
আইসিটি আইনে ইতোমধ্যে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর কী হবে- এ প্রশ্নে শফিউল বলেন, ‘এই আইন না হলে যেভাবে চলত সেভাবে চলতে থাকবে।’

অপরাধ-দ-
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রস্ত্মাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ১৭ থেকে ৩৮ ধারায় বিভিন্ন অপরাধ ও দ-ের বিষয়ে বিস্ত্মারিতভাবে বলা হয়েছে।
১. গুরম্নত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে (সিআইআই) বেআইনি প্রবেশ বা হ্যাকিংয়ের জন্য সাত বছরের জেল, ২৫ লাখ টাকা অর্থদ- বা উভয় দ- দেয়া হবে।
২. গুরম্নত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বেআইনি প্রবেশ করে ক্ষতিসাধন বা নষ্ট বা অকার্যকর করলে বা সেই চেষ্টা করলে ১৪ বছরের কারাদা-, এক কোটি টাকা অর্থদ- বা উভয় দ- দেয়া যাবে।
৩. কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসে বেআইনি প্রবেশের ক্ষেত্রে এক বছরের জেল, তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দ-ের বিধান রাখা হয়েছে।
৪. কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসে বেআইনি প্রবেশে সহযোগিতা করলে তিন বছরের কারদ-, ১০ লাখ টাকা জরিমানা উভয় দ- দেয়া যাবে।
৫. কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম থেকে কোনো উপাত্ত, উপাত্ত ভা-ার বা তথ্য বেআইনিভাবে সংগ্রহ বা স্থানান্ত্মর করলে বা কোনো উপাত্তের অনুলিপি বেআইনিভাবে সংগ্রহ করলে সাত বছরের কারাদ-, ১০ লাখ টাকা অর্থদ- বা উভয় দ- দেয়া যাবে নতুন আইনে।
৬. কম্পিউটার সোর্স কোড ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস বা পরিবর্তন করলে তিন বছরের জেল বা তিন লাখ টাকা জরিমানা করা যাবে।
৭. যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরম্নদ্ধে কোনো ধরনের অপপ্রচার চালান বা তাতে মদদ দেন, তাহলে ১৪ বছরের কারাদ-, এক কোটি টাকা অর্থদ- বা উভয় দ- হবে।
৮. রাষ্ট্রীয় অখ-তা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা বা জনগণ বা কোনো অংশের মধ্যে ভয়ভীতি সঞ্চার করার উদ্দেশ্যে কেউ কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে বৈধ প্রবেশের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে বা বেআইনি প্রবেশ করলে বা তাতে সহযোগিতা করলে তিনি সাইবার সন্ত্রাসের অপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবেন। সেজন্য তার ১৪ বছরের কারাদ-, এক কোটি টাকা অর্থদ- বা উভয় দ- হতে পারে।
৯. ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে কেউ যদি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রচার বা প্রকাশ করেন বা করান যা ধর্মীয় অনুভূতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর আঘাত করে, তাহলে তাকে ১০ বছরের জেল, ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দ- দেয়া হবে।
১০. যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ফৌজদারি দ-বিধির ৪৯৯ ধারার আওতাধীন কোনো মানহানিকর অপরাধ করেন, তাহলে তিন বছরের কারাদ-, পাঁচ লাখ টাকা অর্থদ- বা উভয় দ-ে দ-িত হবেন।
১১. কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল বিন্যাসে এমন কিছু প্রচার করেন বা করান যা সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে, অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তাহলে তার সাত বছরের কারাদ-, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দ- হতে পারে।
১২. কোনো ব্যাংক, বীমা বা আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে আইনানুগ কর্তৃত্ব ছাড়া অনলাইন লেনদেন করলে পাঁচ বছরের কারাদ-, পাঁচ লাখ টাকা অর্থদ- বা উভয় দ- দেয়া যাবে।
১৩. ওয়েবসাইট বা কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ‘আক্রমণাত্মক বা ভীতি প্রদর্শক’ কোনো তথ্য পাঠালে তিন বছরের কারাদ- বা তিন লাখ টাকা জরিমানা করা যাবে।
১৪. কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার অতি গোপনীয় বা গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত যদি কেউ কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণ করেন, প্রেরণ করেন বা সংরক্ষণ করেন, বা করতে সহায়তা করেন তাহলে তা গুপ্তচারবৃত্তির অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। সেজন্য ১৪ বছরের কারাদ- বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করা যাবে।
সংজ্ঞা
শফিউল বলেন, প্রস্ত্মাবিত আইনের সংজ্ঞায় ডিজিটাল উপাত্ত ভা-ার বলতে টেঙ্ট, ইমেজ, ভিডিও বা অডিও আকারে উপস্থাপিত তথ্য, জ্ঞান, ঘটনা, মৌলিক ধারণা বা নির্দেশাবলি বোঝাবে।
কোনো বাহ্যিক তথ্য পরিকাঠামো যা কোনো তথ্য-উপাত্ত বা ইলেকট্রনিক তথ্য যদি সরকার নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চারণ বা সংরক্ষণকরণ করে, যা ক্ষতিগ্রস্ত্ম বা সংকটাপন্ন হলে জননিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বা জনস্বাস্থ্য, জাতীয় নিরাপত্তা বা রাষ্ট্রীয় অখ-তা বা সার্বভৌমত্বের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে- তাকে এ আইনে ‘গুরম্নত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
বাইনারি বা ডিজিটভিত্তিক প্রযুক্তি পদ্ধতিতে কাজ করে- এমন সবকিছুই এ আইনে ‘ডিজিটাল’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ইলেকট্রিক্যাল, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, বায়োমেট্রিক, ইলেকট্রোকেমিকেল, ইলেকট্রোমেকানিকাল, ওয়্যারলেস, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক টেকনোলিজিও এর অন্ত্মর্ভুক্ত হবে।