শফিকুল ইসলামের প্রতারণার শিকার হলো ২৩ জন হাজ্বী মোঃ ইমরান, ঢাকা। সিয়াম ওভারসিজ ট্রাভেল এজেন্সি (লাইসেন্স নং ১১৯৫) এর অধীনে মোয়াল্লেম শফিকুল ইসলামের প্রতারণার শিকার হলো ২৩জন হাজ্বী। আজ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতারণার করুন কাহিনী তুলে ধরেন ২৩জন হাজ্বী । তারা বলেন, শফিকুল ইসলামের সাথে হজ্বে যাওয়ার জন্য আমাদের মৌখিক চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী আমাদেরকে থ্রী ষ্টার হোটেলে রাখবে, বুফে খাওয়াবে, মিনায় জামারার নিকটে তাবু দিবে এবং সার্বক্ষণিক মোয়াল্লেম হিসেবে আমাদের সাথে থাকবে কিন্তু মক্কায় যাওয়ার পর ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করলেও শফিকের কোন লোক আমাদের রিসিভ করতে আসেনি। এবং চুক্তি অনুযায়ী যা যা বলা হয়েছে তার কিছুই আমরা পাইনি। যার ফলে আমরা ঠিক মতো কাবা ঘর তোয়াফ সায়ী ও ওমরাহ ঠিকমত পালন করিতে পারি নাই। হজ্ব পালন শেষে বাংলাদেশ এসে শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে সে আমাদের এই বলে হুমকি দেয় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে লাভ নাই। সে নিজে আইন বানায়, তার টাকায় এম.পি মন্ত্রী চলে, প্রশাসন তার পকেটে। এ প্রসঙ্গে সিয়াম ওভারসিজ এর একজন পরিচালক বলেন, শফিকুল ইসলাম সিয়াম ওভারসিজ ট্রাভেল এজেন্সি এর একজন মোয়াল্লেম। শফিকের মাধ্যমে ২০১৭ সালে ২৩জন হাজ্বীকে সম্পূর্ণ ফেতরা ব্যবস্থাপনায় এবং মোয়াল্লেম সুবিধা বাড়িভাড়া ছাড়া। শফিক কখনো এজেন্সির মালিক, এজেন্সির ম্যানেজার আবার কখনো এজেন্সির মোয়াল্লেম পরিচয় দিয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের সাথে প্রতারণা করিতেছে। তাই হাজ্বীদের একটাই দাবী; শফিকুল ইসলাম আর যেন কারো সাথে প্রতারণা করিতে না পরে এবং এই প্রতারণার উপযুক্ত করিতেছে। তাই হাজ্বীদের একটাই দাবী; শফিকুল ইসলাম আর যেন কারো সাথে প্রতারণা করিতে না পরে এবং এই প্রতারণার উপযুক্ত বিচার।শফিকুল ইসলাম, পিতা: মৃত মোঃ সিরাজ, সাং- পরানপুর, থানা- চিতলমারী, জেলা- বাগেরহাট।