ঢাকা: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বুধবারঃ
নৌ-পথ ড্রেজিং এ ৩২০০ কোটি টাকা মেগা প্রকল্প গ্রহনের পরেও শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী ও পাঠুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-ঘাটে নাব্য সংকটে ফেরী চলাচল ব্যহত হওয়ায় উল্লেখিত ঘাট গুলোতে গত এক সপ্তাহব্যাপী উভয় পারে শত-শত গাড়ী আটকা পড়ে দীর্ঘ ২৩/২৪ ঘন্টা অপেক্ষা করে পারাপার করায় অবর্ণনীয় দূর্ভোগের শিকার যাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়, সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর ও বিআইডাব্লিউটিএর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

আজ ০৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সংগঠনের চেয়ারম্যান শরীফ রফিকউজ্জামান ও মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে উপরোক্ত দাবী জানায় সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, পারাপারের জন্য দীর্ঘ ২৩/২৪ ঘন্টা ঘাটে অপেক্ষমান যানবাহন সমূহের যাত্রী সাধারণ বিশেষ করে নারী, শিশু, বৃদ্ধ, অসুস্থরোগীরা অবর্ণনীয় দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে। ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষমান এইসব যাত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা, পর্যাপ্ত শৌচাগারের ব্যবস্থা করা, পানীয় জলের ব্যবস্থা করা, মানবিক দিক বিবেচনা করে আটকে পড়া যাত্রীদের প্রয়োজনীয় খাবার সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়।

সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলো প্রতি বছর ঘাট ইজারা, নৌ-দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা তহবিল, লঞ্চের ফিটনেস ও লাইসেন্স নবায়নসহ নানা খাতে যাত্রী সাধারণের কাছ থেকে শত-শত কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করলেও দূর্ভোগের শিকার যাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিবৃতিতে এইসব ঘাটে আটকে পড়া যাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে মাননীয় নৌ-পরিবহন মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।