দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে এসে আশ্রয়গ্রহণকারী রোহিঙ্গারা শরণার্থী নয়, তাদরেকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবেই আশ্রয় দিয়েছে সরকার। এমনকি বাংলাদেশে আশ্রিত অবস্থায় যেসব সন্তান জন্মগ্রহণ করছে তাদেরও মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে জন্মসনদ দেয়া হচ্ছে।
আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ইউএনএইচসিআর এর শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর রোহিঙ্গাদের সাময়িক আশ্রয়কেন্দ্র এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়নে ৩৫ কোটি টাকা দিচ্ছে। এই টাকা দিয়ে দ্রুত রাস্তাঘাট নির্মাণ করা হবে। রোহিঙ্গাদের জন্য সাময়িক বরাদ্দ কুতুবপালং ও বালুখালীর ২০০০ একর জমিতে এসব রাস্তাঘাট হবে।
তিনি বলেন, ইউএনএইচসিআর অবকাঠামোগত উন্নয়নে যে ৩৫ কোটি টাকা দিচ্ছে তা দ্রুত পেয়ে যাব। এই টাকা দিয়ে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গাদের জন্য রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুত শেষ করা হবে। কারণ সেনাবাহিনী অভিজ্ঞ, তাদের দ্বারাই নিখুঁত কাজ করা সম্ভব।
জাতিসংঘের এই সংস্থাটি শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, পয়ঃনিষ্কাশন, স্বাস্থ্যসহ মানবিক অন্যান্য বিষয়ে সক্রিয় সহযোগিতা করার এবং পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।