ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রন ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাসবাদসহ দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা নাগরিকদের বাংলাদেশের জন্য বড় বোঝা হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘসহ আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বিষয়টি তুলে ধরে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে অবদান রাখবেন বলে জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) প্যারিসের এলিজি প্যালেস ওয়ান প্ল্যানেট সামিটে যোগ দিতে প্যারিস সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফ্রান্স প্রেসিডেন্টের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পরে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।

শহীদুল হক জানান, প্রেসিডেন্ট প্যালেসের বাইরে এসে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীকে স্ট্যাটিক গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

বৈঠকে ৫টি বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পবির্তনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে রোহিঙ্গা সংকটের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চেয়ে বলেন, সংকট মোকাবেলায় আপনি কি করছেন এবং আমরা কি করতে পারি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন এক মিলিয়নের (দশ লাখ) ওপর রোহিঙ্গা বাংলাদেশ রয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য একটা বড় ধরনের বোঝা এবং এটি জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দুর্যোগ।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে দেয়া ৫ দফার কথা পুনরায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাঁচ দফা বাস্তবায়নের মধ্যেই সমাধান নিহিত।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে মিয়ানমারের দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা দ্বিপাক্ষিক সমাঝোতা হয়েছে। কিন্তু আমরা চাই আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও চাপ অব্যাহত থাকুক। এটা না করলে দ্বিপাক্ষিক এ সমঝোতা বাস্তবায়ন করা যাবে না।

এ সময় উপস্থিত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রোহিঙ্গা সংকটের পুরো বিষয়টি ফ্রান্স প্রেসিডেন্টকে ব্রিফ করেন।

মানবিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জাতিসংঘসহ আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এ বিষয়টি তুলে ধরে সংকট সমাধানে অবদান রাখবেন জানিয়ে ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট বলেন, এ সমস্যার যাতে একটা স্থায়ী সমাধান হয়, সে বিষয়ে কাজ করবো।

পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক জানান, ১৯ ডিসেম্বর রোহিঙ্গা সংকট সমাধান বিষয়ে মিয়ানমারের