রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে সুদান, তাজিকিস্তান এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিন দেশের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আজ এখানে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের নিজ নিজ পরিচয়পত্র পেশকালে তিনি এ আহবান জানান।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিন বাসসকে বলেন, রাষ্ট্রপতি এ সময় বহুপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং বিদ্যমান সম্পর্ক আরো সংহত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বঙ্গভবনের এক মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতরা হলেনÑ সুদানের সিরাজুদ্দিন হামিদ ইউসেফ, তাজিকিস্তানের মীরজোশরিফ জালোলভ এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর হাইকমিশনার ড্যাভ চন্দলাল প্রসাদ। বিকেলে তারা বঙ্গভবনে পৌঁছালে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানোর পর তারা একে একে তাদের পরিচয়পত্র পেশ করেন।
তাদের পরিচয়পত্র গ্রহণ করে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সঙ্গে তিনটি দেশের বিদ্যমান সম্পর্কের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থে বানিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য তিনটি দেশের রাষ্ট্রদূতদের প্রতি আহবান জানান।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সুনির্দিষ্টভাবে বলেন, বাংলাদেশ সবসময়েই সবার সঙ্গে পারস্পরিক ও বহু পাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আসছে। তিনি আশা করেন আগামী দিনগুলোতে দেশগুলোর সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।
রাষ্ট্রপতি দূতদের নিজ নিজ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে বাংলাদেশে তাদের দায়িত্ব পালনকালে দূতদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। দূতগণ এখানে তাদের দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করার দৃঢ় আস্থা ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং বঙ্গভবনের ঊধর্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিতড ছিলেন।
এর আগে নবনিযুক্ত দুই রাষ্ট্রদূত ও এক হ্ইাকমিশনার বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) অশ্বারোহী কন্টিনজেন্ট তাদের গার্ড অব অনার প্রদান করে।