মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

রাতে শ্বশুর শাশুড়িকে ফোন করে জামাতা বললেন আপনাদের মেয়ে খুবই অসুস্থ তাকে দেখতে চাইলে তাড়াতাড়ি চলে আসেন। কিন্তু সকালে শ্বশুর শাশুড়ি এসে দেখেন জামাতার বাড়ির উঠানে মেয়ের লাশ পড়ে আছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।
আর এ ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের কিসামত হারাটি গ্রামে।

মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) বিকালে সদর থানার পুলিশ ঐ এলাকা থেকে মোছাঃ সাইদা বেগম (২৪) নামে এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পরে জামাতা মানিক মিয়া পলাতক রয়েছে।

নিহত সাইদা বেগম সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের খাটামারী গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে এবং হারাটি ইউনিয়নের কিসামত হারাটি গ্রামের মানিক মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে মানিক মিয়ার সাথে বিবাহ হয় কিন্ত বেশ কিছুদিন থেকে তাদের স্বামীস্ত্রীর মাঝে মনোমালিন্য চলছিল।

এদিকে সোমবার রাতে জামাতা মানিক মিয়া মোবাইল ফোনে তার শ্বশুড় শাশুড়িকে বলেন আপনাদের মেয়ে খুবই অসুস্থ, তাকে দেখতে চাইলে তাড়াতাড়ি আসেন। পরে মঙ্গলবার সকালে তারা এসে জামাতার বাড়ির উঠানে চৌকিতে মেয়ের লাশ দেখতে পায়। এসময় তারা বিষয়য়ি স্থানীয় লোকজন ও চেয়ারম্যানকে জানায়।
পরে খবর পেয়ে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।

লালমনিরহাট সদর থানার তদন্ত অফিসার উদয় কুমার মন্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্ত করার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।