zakir sikder,rajapur-jalakati:1-11-17  সম্পতি রাজাপুর উপজেলা সদরে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় সাধারন মানুষ তাদের বাচ্চাদের নিয়ে খুব উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিবাকরা। উপজেলার থানা রোডে ভাড়া বাসায় বসবাসরত ও রাজাপুর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর শিক্ষর্থী জান্নাতুর আক্তার ২২ অক্টোবর কুকুরের আক্রমনের শিকার হয়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতংকে ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যালয়ের উপস্থিতি কমে যায়। রাজাপুর শহরে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় পথচারী ও স্কুলগামী বাচ্চাদের পথ চলতে বিপদ হয়ে পড়েছে। কয়েক বছর আগেও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানিয় ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় সরকারি ভাবে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে কুকুর নিধন অভিযান পরিচালনা করা হত। কিন্তু কয়েক বছর পূর্বেই বাংলাদেশে কুকুর নিধন বন্ধ করা হয়েছে। যে কারনে উপজেলার সর্বত্র আশঙ্কাজনক হারে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা ও উৎপাত দিন দিন বেড়েছে। কুকুরের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। হাট, বাজার, রাস্তা ও বিদ্যালয়ের খোলা মাঠে অসংখ্য কুকুর ঝাঁক বেঁধে ঘুরে বেড়ায়। মাঝে মধ্যে স্কুলগামী শিশু বা পথচারী এমনকি গরু, ছাগলকেও কামড়ে আহত করে। এমনও দেখা যায় গৃহপালিত পশু পাখি ধরে খেয়ে ফেলছে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার ডাঃ অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, এলাকার মানুষ প্রতিদিনই কুকুর দ্বারা আক্রান্ত গৃহপালিত পশু নিয়ে আসছে চিকিৎসার জন্য। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মাহাবুবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জলাতঙ্কের টিকা পাওয়া যায়না কারো প্রয়োজন হলে জেলা সদর থেকে সংগ্রহ করতে হয়।