আজ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ শুক্রবার বিকাল ৪টায় ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০-বি ধারা সংশোধন করে শুধু কেন্দ্রীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গঠনতন্ত্রের ভিত্তিতে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রদান ও নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সারা বছর চালু রাখার দাবীতে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বার ভবনের ১ নং হল রুমে “রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন সংশোধন আন্দোলন”-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর চেয়ারম্যান এ্যাড. কাজী রেজাউল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য সভায় বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ তার বক্তব্যে ”রহিঙ্গা মুসলিমদের উপর মায়ানমার সরকারের অমানবিক নির্যাতনের তীব্রনিন্দা জানান। পরে বাংলাদেশ কর্মসংস্থান আন্দোলনের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন তার বকৃতায় রহিঙ্গা মুসলিমদের উপর মায়ানমার সরকারের পৃষ্টপোষকতায় অমানবিক নির্যাতনের তীব্রনিন্দা প্রস্তাবটি সকলের কাছে তুলেধরলে সর্বসম্মতি ক্রমে নিন্দা জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশ কর্মসংস্থান আন্দোলনের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন আরও জাতিসংগের শান্তিরক্ষা মিশনের সেনামোতায়ন করে রহিঙ্গা মুসলিমদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হউক।

উক্ত সভায় আর তৃণমূল জনতা পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ নাজিম উদ্দিন, বাংলাদেশ কর্মসংস্থান আন্দোলনের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান সামসুল আলম চৌধুরী (সুরমা), বাংলাদেশ জাগো বাঙ্গালীর চেয়ারম্যান মেজর (অব.) ডাঃ শেখ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ আম জনতা ইনসাফ পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান, দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির (ডিএনপি) চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ শামিম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, গণতান্ত্রিক ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ভাসানী) চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, জাতীয় ইসলামী জোট ও জাতীয় ইসলামী মহাজোটের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক, গণ অধিকার পার্টির (পিআরপি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন মোল্লা, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস-এর চেয়ারম্যান শেখ শহীদুজ্জামান, বেঙ্গল জাতীয় কংগ্রেস-বিজেসি’র চেয়ারম্যান ইঞ্জি. আবুল হোসেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এর চেয়ারম্যান এআরএম জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশ জনতা ফ্রন্ট-এর চেয়ারম্যান মোঃ আবু আহাদ আল মামুন (দিপু মীর), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) চেয়ারম্যান আলমগীর মজুমদার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান শামসুল হুদা মামুন, বাংলাদেশ গ্রীণ পার্টির চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ মনসুর আহমেদ, ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ জিয়া, বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ নিজাম উদ্দিন, বাংলাদেশ সমাজ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মোঃ জহিরুল হক বশির, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টির চেয়ারপার্সন আফরোজা বেগম হ্যাপী, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন-এর চেয়ারম্যান আশরাফ আলী হাওলাদার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির (বিআরপি) চেয়ারম্যান মুফাসসির বাজলুর রহমান আমিনী, বাংলাদেশ কোরানিক পার্টির আমীর এটিএম ওয়ালীউল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামিক গণতান্ত্রিক লীগ-এর চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফেডারেশনের চেয়ারম্যান মুফতি মাসুম বিল্লাহ, জনতা ঐক্য পার্টির চেয়ারম্যান এ্যাড. মোঃ নুরুল ইসলাম বাবুল, বাংলাদেশ মঙ্গল পার্টির চেয়ারম্যান জগদীশ বড়ূয়া পার্থ, বাংলাদেশ তৃণমূল কংগ্রেস-এর চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন গফফার, বাংলাদেশ নাগরিক লীগের চেয়ারম্যান এ্যাড. মোর্শেদ ভূইয়া, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মুসলেমীন-এর চেয়ারম্যান শাহ মোঃ মাহমুদুল হাসান ফেরদৌস, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ রফিক উল্যা ভূইয়া, বাংলাদেশ ডেভেলপমেণ্ট পার্টির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এম শরিফুল ইসলাম, গণ ঐক্য পাটির চেয়ারম্যান আরমান হোসেন পলাশ, বাংলাদেশ ইমান আকিদা সংরক্ষণ আন্দোলন-এর চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম, কৃষক প্রজা পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজুল হক, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ-এর চেয়ারম্যান মোঃ জিন্নাত আলী খান, জাতীয় মুক্তি আন্দোলন-এর চেয়ারম্যান দার্শনিক জালাল উদ্দিন মজুমদার, বাংলাদেশ জালালী পার্টির চেয়ারম্যান আহমদ চৌধুরী জালালী, বাংলাদেশ বাম ফ্রন্ট-এর চেয়ারম্যান ডাঃ এম এ সামাদ, বাংলাদেশ সোসাইলিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ হুমায়ূন চৌধুরী, স্বদেশ পার্টির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মন্টু, বাংলাদেশ জনতা পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওঃ আনোয়ার শাহ, তৃণমুল লীগের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল হক ভূইয়া জিতু, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান এম. আখতারুজ্জামান, গণতান্ত্রিক মুসলিম আন্দোলন-এর চেয়ারম্যান কাজী মেফতাহ উদ্দিন, সম্মিলিত গণতান্ত্রিক দল-এর আহবায়ক গাজী মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ গণ-আজাদী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন-অর রশিদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জাতীয় দলের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ জন দল-বিজেডির মহাসচিব মোঃ মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরী, লিবারেল পাটির মুখপাত্র মোঃ দুলাল মিয়াসহ শতাধিক অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০-বি ধারা সংশোধন করে শুধু কেন্দ্রীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গঠনতন্ত্রের ভিত্তিতে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রদান ও নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সারা বছর চালু রাখার দাবী জানান।