আজ ২৭ আগস্ট ২০১৭ রোজ ববিবার বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দন আহমেদ এক বিবৃতে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার কারণে কিছুদিন মোবাইল ব্যাংকিং হ্যাকররা নিরব থাকলেও আবার তৎপর হয়ে উঠেছে। এ কাজে তারা প্রথমত সিম ক্লোনিং করে গ্রাহকের সকল তথ্য সংগ্রহ করে সুরেলা কণ্ঠের নারীদের ব্যবহার করে গ্রাহককে ফোন করে বলছে,আমি বিকাশ অফিস থেকে বলছি। স্যার আপনার নাম কি ওমুক? আপনি সর্ব শেষ কবে লেনদেন করেছেন আপনার একাউন্টটি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে, আপনি কি জানেন ? আমাদের সার্ভিস চার্জ কমানো হয়েছে? আপনি যদি একাউন্টটি চালু করতে চান তা হলে এক চাপুন আর যদি সার্ভিস চার্জ কমাতে চান তাহলে দুই চাপুন। এ কথা শুনে যদি কোন গ্রাহক এ সকল বাটন চেপে থাকে তা হলে ঐ গ্রাহক সর্ব শান্ত হয়েছে। এরকম অনেক গ্রাহক সর্বশান্ত বা প্রতারিত হয়ে বিকাশের সার্ভিস সেন্টার এবং আমাদের কাছেও অনেকে অভিযোগ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরণের হ্যাকারদের উৎপাত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে আমাদের ধারণা। গত সপ্তাহে আমার ফোনেও এ ধরনের একটি কল আসে। আমি তাৎক্ষনাৎ বিকাশ অফিসের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করি। ঐ কর্মকর্তা উত্তরে আমাকে জানালেন, গ্রাহকদের একাউন্ট যদি বন্ধই হয় তাহলে গ্রাহকরা আমাদের অফিসে যোগাযোগ না করে ঐ হ্যাকারের কথা মতো কাজ করলে সর্বশান্ত হবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি এই হ্যাকাররা মূলত টার্গেট করেছে কুরবানির ঈদের পশু কেনা-বেচার বাজারকে। বাণিজ্যিক ব্যাংক সমুহে গ্রাহক সেবা বলে কিছু না থাকা এবং লেন-দেন এ একাউন্ট থাকা ও ভোটার আইডি কার্ড বাধ্যতামূলক করার ফলে গ্রাহকরা বাণিজ্যিক ব্যাংকে না গিয়ে উচ্চ মুল্যের মোবাইল ব্যাংকিং সেবার উপর নির্ভরশীল হয়ে পরে।
আমরা বাংলাদেশ ব্যাংক, বিটিআরসি, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান সমুহ সর্বপরি সরকারের আইনশৃঙ্খলা বআহিনীর প্রতি আহ্বান থাকবে অতি দ্রুত মোবাইল ব্যাংকিংকে হ্যাকার মুক্ত রাখুন। সেই সাথে প্রতিটি পশুর হাটে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিজস্ব ব্যাংকিং সার্ভিস সেন্টার চালু করা। আমরা গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই অযাচিত কোন ফোন রিসিভ করা বা কারো নির্দেশে বাটন চাপা থেকে বিরত থাকুন।