‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও পুলিশ সে দেশের সরকারের নির্দেশে রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করছে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারছে এবং রোহিঙ্গা অধিবাসীদের বাড়ী-ঘর জ্বালিয়ে দেশ থেকে তাদের বেড় করে দিচ্ছে, লুটপাট করছে, নারীদেরকে ধর্ষণ করছে, এসব জঘন্যতম মানবতা বিরোধী অপরাধ দ্রুত বন্ধ হওয়া জরুরী। তিনি বলেন, এসব অপরাধ বন্ধে জাতিসংঘের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন নেতাদের দ্রুত কর্যকরী যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করে রোহিঙ্গাদেরকে তাদের নিজ দেশে স্থায়ীভাবে তাদের নাগরিক অধিকারসহ শান্তিপূর্ন বসবাসের সু ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এলক্ষ্যে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ)র চলমান ৭২তম অধিবেশনে বিভিন্ন রাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন নেতাদেরকে সম্মিলিতভাবে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের আহ্বান জানান।

আজ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং সকাল ১১ টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় অনুষ্ঠিত মানব বন্ধনে ইসলামী সমাজের আমীর বলেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশে শরনার্থী হিসাবে আশ্রয়গ্রহনকারী রোহিঙ্গা মুসলমানদের প্রয়োজন ও কল্যাণে প্রয়োজনীয় সকল সহযোগীতা দল-মত ও জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলেরই করতে হবে। তিনি বলেন এলক্ষ্যে ইসলামী সমাজ আগামী ২০ সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে নগদ টাকার একটি অনুদান প্রতনিধিি টমিরে মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণতহবিলে প্রদান করবে ইনশাআল্লাহ। রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে এবং বাংলাদেশ থেকে শরনার্থী রোহিঙ্গাদেরকে তাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য জাতিসংঘের মাধ্যমে ব্যবস্থা করার প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
উক্ত মানব বন্ধনে ইসলামী সমাজের সদস্য ও নেতা জনাব মুহাম্মাদ ইয়াছিনের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন সর্ব জনাব আবু জাফর মুহাম্মাদ ইকবাল, মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী ও সোলায়মান কবীর প্রমুখ।
পরিশেষে নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলমানসহ সকল মানুষের কল্যাণে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে মানব বন্ধন অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত করা হয়।