মনোহরগঞ্জ(কুমিল্লা) সংবাদদাতা
উপজেলার মণিপুর টেকমার্কেটে জোরপূর্বক মার্কেট দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এনিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী রহিমা খাতুন (৬০)। জানা যায় শনিবার রাত ৮টার দিকে মণিপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে সাহাবউদ্দীন (৩৮) পার্শ্ববর্তী কমলপুর গ্রামের বৃদ্ধ নুরুল্লা মিয়ার মালিকানাধীন একতলা একটি ভবনের মার্কেট জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে এবং ব্যাপক লুটপাট চালায়। এ সময় নুরুল্লা মিয়ার ছোট ছেলে মির হোসেন বাধা দিলে তাকে বেধড়ক মারপিট করে আহত করে সাহাবউদ্দীন ও তার লোকজন। মির হোসেনের ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে মার্কেটের মূল গেটে তালা মেরে চলে যায় সাহাবউদ্দীন। এ নিয়ে ওইদিন রাতে নুরুল্লা মিয়ার স্ত্রী রহিমা খাতুন (৬০) বাদী হয়ে সাহাবউদ্দীনসহ অজ্ঞাত ১৫/২০ জনের নামে মনোহরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় এর আগে সাহাবউদ্দীন ও তার লোকজন রহিমা খাতুনের মেজ ছেলে আবদুর রহমান মমিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মিজি ব্রিক ফিল্ড, ডায়মন্ড ইন্টারন্যাশনাল, ডায়মন্ড সমবায় সমিতি, কৌশলে পার্টনার হয়ে দখল করে নেয়। এবং তাকে হত্যার হুমকি দেয়। বিগত প্রায় ৫ বছর তার মেজ ছেলে মমিন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সে এলাকায় আসলে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়া হয়। এখন সে পুরোপরিবারকে দেখে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে। এব্যাপারে গতকাল মনোহরগঞ্জ থানার এসআই দুলাল তদন্ত করতে গেলে সাহাবউদ্দীন মার্কেটে তালা মারার কথা স্বীকার করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সাহাবউদ্দীনের নিকট এলাকার সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে আছে। তার অত্যাচারে সবাই অতিষ্ঠ কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায়না। তার বিরুদ্ধে শত অভিযোগ থাকলে ও সে বীরদর্পে ঘুরে বেড়ায়। অনেকে বলেন সাহাবউদ্দীন সরকারি পরিবহন পুলের একজন ড্রাইভার ছিলেন তেল চুরির অভিযোগে তার চাকরি চলে যায়। তাই এলাকার নিরীহ সাধারণ মানুষ সাহাবউদ্দীনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তার অত্যাচার থেকে এলাবকাবাসীকে মুক্তি দেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
এব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দুলাল অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।