মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
উপজেলার মণিপুর টেকমার্কেটে মার্কেটে হামলা চালিয়ে লুটপাটের পর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে বাদীর এক প্রবাসী ছেলেসহ তাদের সবাইকে মাদক মামলায় জড়িয়ে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতারের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় উপজেলার কমলপুর গ্রামের নুরুল্লা মিয়ার মণিপুর টেকমার্কেটে অবস্থিত নুরুল্লা সুপার মার্কেট দখল করার চেষ্টা করে মণিপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে সাহাবউদ্দীন, এনিয়ে মার্কেটের মালিক নুরুল্লা মিয়ার স্ত্রী রহিমা খাতুন সাহাবউদ্দীনের বিরুদ্ধে মনোহরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গত ১৪ অক্টোবর সাহাবউদ্দীন তার লোকজন নিয়ে তার মেঝ ছেলের কাছে টাকা পাওয়ার মিথ্যা অভিযোগ এনে মার্কেটে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর লুটপাট চালায় এসময় তারা প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ওইসময় তার ছোট ছেলে মীর হোসেন বাধা দিলে তাকে মারধর করে মার্কেটে তালা লাগিয়ে দেয়। ওইদিন রাতেই রহিমা খাতুন বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পর ১৫ অক্টোবর মনোহরগঞ্জ থানার এসআই দুলাল ঘটনাস্থলে গিয়ে মার্কেটের তালা খুলে দেন। এরপর ১৬ অক্টোবর সাহাবউদ্দীন রহিমা খাতুনের প্রবাসী বড় ছেলে আবদুর রাজ্জাক মানিক, ছোট ছেলে মীর হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকসেবন ও ব্যবসার মিথ্যা অভিযোগ তুলে থানায় একটি অভিযোগ দেয়। এরপর মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বিরোধ মীমাংসার জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেন। ঘটনার প্রায় ১ মাস হতে চললেও চেয়ারম্যান এখনো সমাধান করতে পারেননি। এদিকে অভিযোগ প্রত্যাহার না করলে সাহাবউদ্দীন প্রতিনিয়ত বাদীর প্রবাসী ছেলে মানিক এবং মীর হোসেনকে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন গত ১৮ আগস্ট দুুবাই থেকে মানিক ছুটিতে বাড়িতে আসে। ছুটি শেষ পর্যায়ে এসে এখন গ্রেফতারের হুমকিতে দিন কাটছে তার। আবদুর রাজ্জাক মানিক বলেন তার ছোটভাই আবদুর রহমান মমিনের সাথে সাহাবউদ্দীনের ব্যবসায়িক বিরোধ রয়েছে ইতিমধ্যে তার ভাইয়ের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অংশীদারের নামে দখল করে রেখেছে সে। এখন আমাকে মাদকের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আমার বিদেশ যাওয়া আটকে দেয়ার হুমকিও দিচ্ছে সে। তাই আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ ব্যাপারে সাহাবউদ্দীনের সাথে যোগযোগ করার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।