মেহেদী হাসান উজ্জল,ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথর খনির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) খনির মৃত্যুবরণকারী দুই খনি শ্রমিকের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য হিসেবে ১২ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩ টায় মধ্যপাড়া পাথর খনির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) এর সভাকক্ষে নির্বাহী পরিচালক জনাব, জাবেদ সিদ্দিকী মৃত জনাব গোলাম মোস্তফার স্ত্রী এবং মৃত জনাব মামুন কবিরের পিতার হাতে আর্থিক সাহায্যের ৬ লক্ষ টাকা করে মোট ১২ লক্ষ অনুদানের চেক তুলে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মৃত গোলাম মোস্তফার পিতা মোঃ ফজলে রহমান, মৃত মামুনের পিতা অব্দুর রশীদ, তার মাতা সহ মরহুমদ্বয়ের পরিবারের সদস্যগণ। চেক প্রদান অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জিটিসি’র উপ-মহা ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন, উপ-মহা ব্যবস্থাপক ডঃ ফররুখ হোসেন খাঁন, বাবু এবং উপ-মহা ব্যবস্থাপক মুশতাক আহম্মদ খাঁন সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ । জিটিসি কর্তৃপক্ষ মৃত দু’জন শ্রমিক গোলাম মোস্তফা এবং মৃত মামুন কবিরের কর্ম দক্ষতায় সন্তুুষ্ট হয়ে এবং তাদের পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছল অবস্থার কথা বিবেচনা করে তাদের মানবিক সাহায্য হিসেবে এই অর্থিক অনুদান প্রদান করে। এছাড়াও জিটিসি’র নির্বাহী পরিচালক জনাব, জাবেদ সিদ্দিকী মৃত গোলাম মোস্তফা এবং মৃত মামুন কবিরের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাদের পরিবারের জন্য সাহায্য ও সহযোহিতার আশ্বাষ দেন।
মৃত গোলাম মোস্তফার স্ত্রী মোছাঃ লাকি বানু তার অনুভুতি প্রকাশ করে জানান, মৃত্যুর উপর কারো হাত নেই। আমার স্বামীর মৃত্যু হয়তো এই ভাবেই লেখা ছিল। তার মৃত্যুর পরও জিটিসি তার পরিবারের অসহায়ত্বের কথা ভেবে মানবিক সাহায্যের যে অনুদান প্রদান করল তার জন্য তিনি জিটিসি কর্তৃপক্ষকে ধ্যন্যবাদ জানান। একই সাথে মৃত মামুন কবিরের পিতা আব্দুল রশীদও একই অনুভুতি প্রকাশ করে তার ছেলের মৃত্যুতে জিটিসি’র আর্থিক অনুদান প্রদানে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
পরে বিকেল ৪ টায় খনি প্রঙ্গনে মরহুম শ্রমিকদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া ও মলিাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। উক্ত দোওয়া অনুষ্ঠানে জিটিসি’র কর্মকর্তা, কর্মচারী ও খনি শ্রমিকগণ উপস্থিত ছিলেন।