অবিলম্বে আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, ‘প্রধান বিচারপতির বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে আইনমন্ত্রী মিথ্যা বলেছেন, শপথ ভঙ্গ করেছেন। মন্ত্রী হতে হলে শপথ নিতে হয়। রাগ অনুরাগের বশবর্তী হয়ে তিনি কোন কিছু করতে পারেন না। শপথ ভঙ্গের অপরাধে আইনমন্ত্রীর সাজা হওয়া উচিত।’ শনিবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী আহমেদ বলেন, ‘আইনমন্ত্রী বলেছিলেন প্রধান বিচারপতি স্বাস্থ্যগত কারণে ছুটি নিয়েছেন। কিন্তু সেটা সঠিক নয়, সরকারদলীয় বিভিন্ন মন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর আক্রোশমূলক কথাবার্তায় প্রধান বিচারপতি বিব্রত হয়েছেন। প্রধান বিচারপতি গতকাল (শুক্রবার) বলেছেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে তিনি শঙ্কিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে আইনের শাসন থাকলে মিথ্যাচারের অপরাধে আইনমন্ত্রীর বিচার হতো। কোন সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক দেশ হলে এমন আচরণ সম্ভব হতো না। ভবিষ্যতে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে তার বিচার হবে।’ আইনমন্ত্রীর বাবা একজন বরেণ্য আইনজীবী উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘আইনমন্ত্রীর এমন কর্মকান্ডে পারিবারিক ঐতিহ্য নষ্ট করেছেন।’

সংগঠনের সভাপতি এম. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর ইসলাম হাবিব, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমতউল্লাহ, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা এম.এ হান্নান, বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোঃ শাহআলম, কৃষকদল নেতা হাজী মোজাম্মেল হক মিন্টু, বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরাফাতুর রহমান আপেল, বাগের হাট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ড. কাজী মনির, জাতীয় নাগরিক মঞ্চের সভাপতি ইসমাঈল তালুকদার খোকন, অপরাজেয় বাংলার সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সিরাজী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন খান, সি: সহ-সভাপতি মাকসুদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসা ফরাজী প্রমুখ।