মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

বিভিন্নজনের সাথে অবাধে মেলামেশা ও স্ত্রীর পরকীয়ায় বাধাদানে কাল হয়ে দাড়ালো হতভাগা এক স্বামীর। প্রথমে স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে একতরফা মৌখিক তালাক, অতঃপর স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে স্ত্রীর লাপাত্তা। এখন থানায় অভিযোগ দিয়ে ও আত্মীয়স্বজনের দ্বারেদ্বারে ঘুরে কোথাও খুজে পাচ্ছেনা সেই স্ত্রীকে।

লালমনিরহাট হাতীবান্ধা উপজেলার পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার মৃত্যু খোকা শেখের ২য় ছেলে মোঃ আমিনুর রহমানের সাথে এ ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুরের টঙ্গি থানার চৌরাস্তা এলাকার ২৭ কাদিম জামে মসজিদ সংলগ্ন শহিদুল ইসলাম খোকনের বাসা থেকে। এ ঘটনায় স্ত্রী ও শশুরের নামে টঙ্গি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী স্বামী।

থানায় অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, আমিনুর রহমান বিগত ২০১৩ সালে পাটগ্রাম উপজেলার ডাহাটির ডাঙ্গার দরগারপাড় এলাকার মোঃ সুরুজ্জামানের মেয়ে সুমি আক্তারকে শরীয়ত মোতাবেক রেজিস্টারি কাবিন মুলে বিয়ে করেন। চাকরী করার সুবাদে বিয়ের পর থেকে আমিনুর তার স্ত্রীকে নিয়ে গত ৫ বছর যাবত গাজীপুরের টঙ্গি থানার চৌরাস্তা এলাকার ২৭ কাদিম জামে মসজিদ সংলগ্ন শহিদুল ইসলাম খোকনের বাসা বসবাস করেন।
সেখান থেকে চান্দুরার মাহমুদ জিন্স লিমিটেড এ কোয়ালিটি পোস্টে চাকরি করেন আমিনুর আর তার স্ত্রী আগে কে,এ ফ্যাসান ডিজাইনে চাকরী করলেও তা না থাজায় বর্তমানে সে ঐ বাসায় থাকেন। স্বামী বাসায় না থাকায় এরই মাঝে আমিনুরের স্ত্রী সুমি আক্তার অপরিচিত লোকজনের সাথে অবাধে মেলামেশা ও পরকীয়া জড়িয়ে পড়ে। অবৈধ কাজে বাধা দিলে স্ত্রী সুমি চটিয়ে উঠে ২৫ মার্চ/১৪ তার স্বামীকে এক তরফা খোলা তালাক দিয়ে অন্যত্র বসবাস করেন। এর একমাস পর সুমি পুনরায় তার স্বামীর বাসায় এসে নিজের ভুল স্বীকার করে ঐ বাসায় থাকেন।
স্বামী বাসায় না থাকার সুবাদে সুমি আবারো পুর্বের ন্যায় বিভিন্নজনের সাথে অবাধে মেলামেশা ও চলাফেরা করতে থাকে। স্ত্রীর এহেন অবৈধ কাজে পুনরায় বাধা দিলে এবারে মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেন তার স্বামীকে।
এরই প্রেক্ষিতে গত ১৮ ডিসেম্বর/১৭ আমিনুর বাসায় না থাকার সুবাদে তার শশুর সুরুজ্জামান ঐ বাসায় এসে কাউকে কিছু না জানিয়ে সুমি আক্তারকে নিয়ে যায়। যাবার সময় সুমি তার পরিধেয় স্বর্ণালংকার, নগদ ৫০ হাজার টাকা, মোবাইল ফোনসহ প্রায় এক লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোথাও সুমিকে না পেয়ে ১ জানুয়ারি টঙ্গী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আমিনুর।

ঘটনার বিষয়ে জানার জন্য সুমি আক্তারের মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

অপরদিকে সুমির বাবা সুরুজ্জামানের মোবাইলেও ফোন দিলেই অপর প্রান্ত থেকে তার মেয়ে পরিচয় দিয়ে সুমনা নামের একজন বলেন, এবিষয়ে আমরা কিছুই জানিনা।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুরের টঙ্গি থানার এস,আই মাহবুবুর রহমান বলেন, এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমিনুর রহমান দিয়েছে। আর ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।