ঢাকা, ১২ ভাদ্র (২৭ আগস্ট):

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, কাতারের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। কাতারে কয়েক লাখ বাংলাদেশি কাজ করছে। সেখানে আরো জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের গ্যাসের চাহিদা মিটানোর জন্য কাতার থেকে এলএনজি আমদানির বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে একটি এমওইউ স্বাক্ষর করা হয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে এলএনজি টার্মিনালের কাজ সম্পন্ন হবে, তখন আর দেশে গ্যাসের কোন সংকট থাকবে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত অযসবফ গড়যধসবফ অষ- উবযরসর এর সাথে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কাতার বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। কাতার বিশে^র মধ্যে বৃহৎ এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ। কাতার বিভিন্ন দেশে প্রায় ১০০ মিলিয়ন টন এলএনজি রপ্তানি করে থাকে। ২০১৮ সালে এলএনজি আমদানি শুরু হলে বাংলাদেশের কলকারখায় গ্যাসের সমস্যা থাকবে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কাতারে আরো জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। সেখানে সুনামের সাথে বাংলাদেশে জনশক্তি কাজ করে যাচ্ছে। কাতারে বাংলাদেশের শাক-সবজির প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে চাহিদা মোতাবেক এগুলো রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। রপ্তানির আগে শাক-সবজি প্রক্রিয়াকরণের পর্যাপ্ত প্লান্ট বাংলাদেশে নেই। এ খাতে কাতার বিনিয়োগ করলে রপ্তানি বৃদ্ধি করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে কাতারের বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে আসতে পারেন।