ঢাকা: মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশকে মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক রাখতে সংস্কৃতিকর্মীরাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে। দেশের জন্য রাজনীতিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলবে।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীতে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের নেতৃত্বে আগত বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট সদস্যদের সাথে বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন। তথ্যসচিব মরতুজা আহমদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘সত্তরের দশকে জিয়াউর রহমান যে সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ রোপণ করেছিলেন এবং বিএনপি ও খালেদা জিয়া যার ধারক, সেই বিষবৃক্ষ ধ্বংস করে জঙ্গিবাদমুক্ত শান্তি, দূর্নীতি-দলবাজিমুক্ত সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কারণেই মহাজোট সরকার কোনো রুটিন সরকার নয়, জাতিকে নিজের পথে ফিরিয়ে আনার সরকার। এখানে রাজনীতিক-শিল্পী-সাহিত্যিক-সংস্কৃতিকর্মী সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে।’
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটনেত্রী প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের দাবি, তত্ত্বাবধায়ক আমলে শেখ হাসিনার সাব-জেল হতে মুক্তির দাবি ও বেগম খালেদা জিয়ার আগুনসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট যেমন সোচ্চার ছিল, ভবিষ্যতেও জাতির প্রয়োজনে এমনিভাবেই সোচ্চার থাকবে।
তথ্যসচিব মরতুজা আহমদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে শিল্পীরা সত্য, সুন্দর ও সাম্যের পথে অকুতোভয় সৈনিক হিসেবে লড়াই করে যাবেন, এটিই জাতির প্রত্যাশা।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার) মোঃ মোশাররফ হোসেন এবং প্রথিতযশা শিল্পীদের মধ্যে সুজাতা আজিম, লাকি ইনাম, মুনিরা ইউছুফ মেমি, তমালিকা কর্মকার, এস ডি রুবেল, আজিজুল হাকিম, মেহের আফরোজ শাওন, জিনাত হাকিম, তুষ্টি, মান্নান হীরা, বিচ্ছু জালাল, হৃদি হক, শাহনেওয়াজ কাকলী, জলি, পুনাম প্রীয়ম, মানস বন্দোপাধ্যায় ও শামীমা আক্তার দীপা, প্রমূখ সভায় অংশ নেন।