ঢাকা, ২২ নভেম্বর;

ঢাকা ওয়াসার ১৩ টি খাল উদ্ধার এবং যে সমস্ত খাল ইতোমধ্যে উদ্ধার, খনন এবং খালের উভয় পাড়ের পাকাকৃত অংশ যাতে পুন:দখল ও ভরাট হয়ে না যায় সেজন্য প্রয়োজনিয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে ঢাকা ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। টাস্কফোর্স এক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে।

আজ নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীসহ ঢাকার চারপাশে নদীগুলোর দূষণরোধ এবং নাব্যতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত ‘টাস্কফোর্স’ এর ৩৬তম সভায় এ নির্দেশনা দেয়া হয়।
নৌপরিবহণ মন্ত্রী ও টাস্কফোর্স এর সভাপতি শাজাহান খান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে ভুমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো: আবদুস সামাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, নদীর সীমানা চিহ্নিত করার লক্ষ্যে জরিপ কাজ এবং সীমানা পিলার স্থাপন ও স্থাপিত পিলারসমূহের মধ্যে আপত্তি উত্থাপিত পিলারগুলো যাচাই করে পুন:স্থাপনের কাজ অব্যাহত থাকবে। নদীর তীরভূমির দখলমুক্ত জায়গা সুরক্ষার জন্য শক্তিশালী সীমানা পিলার স্থাপন করতে হবে। পিলার উচ্ছেদকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয় যে,নদী তীরবর্তী স্থানে স্থাপিত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য নদীর পানি দূষণ করছে; যেসব প্রতিষ্ঠানে এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (ইটিপি) সবসময় চালু রাখার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সাভারস্থ ট্যানারিতে সেন্ট্রাল এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (সিইটিপি) ত্রুটিমুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নিবে।
সভায় জানানো হয় যে,সম্পূর্ণ জরিপ কাজ শেষে আদি বুড়িগঙ্গার অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।