আজ ৩০ জানুয়ারী ২০১৮ গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন এর সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, প্রযুক্তি উৎকর্ষ সাধণের ফলে নিরাপত্তা জোরদার ও পূর্বের আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে বিতর্কন তৈরী হওয়ায় নতুন করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সরকার প্রণয়ন করে যা গতকাল মন্ত্রী পরিষদে অনুমোদিত হয়। কিন্তু এই নতুন আইনে ৫৭ ধারাকে ২৫,২৮,২৯ ও ৩১ ধারায় বিভক্ত ভাবে ব্যাখ্যা প্রদান করে তৈরী করা হয়েছে। অর্থ্যাৎ ঘুরে ফিরে যেই লাউ সেই কদু, যাকে অর্থনীতির ভাষায় বলা হয়। পুরাতন মদ নতুন বোতলে ঢালা। প্রযুক্তির অপব্যবহার করা যাবে না যেমন ঠিক তেমনী প্রযুক্তির ব্যবসার নামে জনগণের অর্থ লুটপাট করাও একই আইনের শাস্তির বিধান থাকার কথা। কিন্তু বিধিবাম প্রযুক্তির ব্যবসায় লুটপাট বন্ধ বা তার প্রতিবাদে লেখালেখির জন্য বা মুক্ত আলোচনা করার জন্য যদি এই আইনের অপব্যবহার হয়, তা হবে অত্যান্ত দুঃখজনক। এই আইনের ৩২ ধারায় গুপ্তচর বৃদ্ধির যে ধারা রাখা হয়েছে তা অত্যান্ত অস্পষ্ট এবং ব্যাখ্যা বিহীন। ভবিষ্যতে যদি এই ৩২ ধারার অপব্যবহার হয় তাহলে একশ্রেণীর লোক লাভবান হলেও আরেক শ্রেনীর লোক বিপদগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।

তাই আমরা মনে করি, এই আইনটি সংসদে উপস্থাপনের পূর্বেই জনমত যাচাই বাছাই করার জন্য গণশুনানির আয়োজন করতে হবে। সেই সাথে সকল ষ্টেইক হোল্ডারদের মতামত নিয়ে যাচাই বাছাই করেই আইনটি সংসদে প্রেরণ করা হউক। যেহেতু নতুন এই আইন অনুযায়ী দেশে প্রথম বারেরমত একজন প্রধানমন্ত্রী ১১ সদস্যের ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান থাকবেন। তাই এই আইন সম্পর্কে জনমনে কোন নীতিবাচক ধারনা থাকা উচিৎ নয় বলে আমরা মনে করি।