৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭. শনিবার।
টেকনাফ থেকে মুহাম্মদ আবদুল কাহহার

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের হারিয়াখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণের জন্য মজুদকৃত ত্রাণ সামগ্রী পর্যাপ্ত নয়।
আজ সকাল থেকে বেলা ১১ ঘটিকা পর্যন্ত তিন হাজারের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে এক সেনা সদস্য আমাকে জানিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন থেমে থেমে চলছে বলে জানা গেছে। প্রতিদিনই রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী নাফ নদী পেরিয়ে শাহপরী দ্বীপে আশ্রয় নেয়। সেখান থেকে টেকনাফের হারিয়াখালীর বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহীনীর ত্রাণ বিতরণের নির্ধারিত কেন্দ্র হারবার পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে রোহিঙ্গাদের অনেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পরছেন। শুকনাখাবার, পানি, তাবু, মশারি, বিস্কুট, নগদ টাকা ইত্যাদি বিতরণ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। তাছাড়া পুরাতন রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় দরিদ্র নারী ও শিশুরা রাস্তার দুপাশে বসে সাহায্য চাওয়ায় সদ্য আসা রোহিঙ্গা ও পুরাতনদের সনাক্ত করা দুরহ হয়ে পড়ছে। স্বেচ্ছাসেবকরা বলেছেন, চিকিৎসা সেবা খুব ধীর গতিতে চলছে। কয়েকধরণের ওষুধ ছাড়া আর কোন ওষুধ নেই। নিজ উদ্যোগে কেউ কেউ নগদ টাকা প্রদান করেছেন, তাতেও প্রশাসনের অনুমতি লাগছে। সর্বপরি এখানের কোন সেবাই মানসম্মত ও পর্যপ্ত নয়। তাই মানবিক মুল্যবোধ থেকে প্রত্যেককেই এগিয়ে আসা প্রয়োজন।