বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা সৈয়দ মোঃ আবদুল মালেক হালিম জেরুজালেকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতিদেয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রামের তীব্র সমালোচনা করে অবিলম্বে স্বীকৃতি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ছেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্যে জাতিসংঘ, ওআইসি, ন্যাম, আরব লীগ, সার্কসহ সকল আন্তজাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাসহ বিশ্বের বিবেকবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানান। বিশ্ব জনমত অগ্রাহ্য করে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করা সম্বলিত ট্রাম-এর এই ঘোষণায় বিশ্বের কোনো বিবেকবান মানূষ বিচলিত না হয়ে পারেনা। এই স্বীকৃতি অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতি বিনষ্ট হবে।
তিনি বলেন, মুক্তবিশ্ব ও মানবধিকারের প্রবক্তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে বেআইনীভাবে প্রতিষ্ঠিত মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোড়া ইসরাইল আরব জনগণের বিরুদ্ধে লাঠিয়াল হিসাবে কাজ করে চলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইসরাইলের পক্ষালম্বন বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি মারাত্মক হুমকি স্বরুপ । ইহুদী নির্ভর মার্কিন প্রশাসনের সমর্থন বেআইনীভাবে প্রতিষ্ঠিত মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়া ইসরাইলের আগ্রাসী তৎপরতাকে সমর্থন যুগিয়ে যাচ্ছে। মুক্তবিশ্ব ও মানবাধিকারের প্রবক্তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরবতায় ইসরাইল ফিলিস্তিনে বর্বরোচিত সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই ঘোষণার প্রতিবাদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ক’টনৈতিক ও বাণিজ্যসহ সকল প্রকার সম্পর্কচ্ছেদের পদক্ষেপ গ্রহ্রণের জন্যে বিশ্বের শান্তিকামী দেশ, জনগণ এবং ইসলামী উম্মাহর প্রতি আহ্বান জানান। সকল ন্যায়-নীতি, জাতিসংঘ সনদ জলাঞ্জলী দিয়ে ট্রাম এই ঘোষণা দিয়েছে। ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতির লালনভ’মি জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ফিলিস্তিনি জনগণ কোনক্রমেই বশ্যতা মেনে নেবে না। বাঁচতে হলে ইসলামী উম্মাহকে শীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া উপায় নেই। এতে তাদের বাংলাদেশ দখল করে অভীন্ন ইসরাইল প্রতিষ্ঠার দিবা স্বপ্নেরই প্রতিফলন ঘটেছে।
তিনি বলেন, আমেরিকার আচরণ থেকে মুসলিম বিশ্বকে শিক্ষা নেয়া উচিৎ। খ্রিস্ট-ইহুদী সা¤্রাজ্যবাদী আগ্রাসন থেকে কোন মুসলিম দেশই রেহাই পাবেনা। মসিলিম দেশসমূহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্ব, মৈত্রী এবং সহযোগিতা সুদৃঢ় ও চিরস্থায়ীকরনের নীতিতে বিশ্বাসী হলেও আমেরিকা আয়তনের বিশালত্ব ও গায়ের জোরে জাতিসংঘ সনদ ও পারস্পরিক সহাবস্থানের নীতি বিসর্জন দিয়ে মুসলিম দেশগুলোর সাথে বৈরী আচরণ অব্যাহত রেখেছে। মসিলিম দেশগুলোর ওপর মাকিনীদের আগ্রাসী থাবা আজ অত্যন্ত প্রকট। ুযক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনিদের পদানত করার লক্ষ্যে ক্রুর প্রয়াস চালানো হচ্ছে। গত ৬ দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে একটি দিনও ফিলিস্তিনের সাথে ইসরাইল সৎপ্রতিবেশিসূলভ সম্পর্ক সৃষ্টির আবহ রচনার সুযোগ দেয়া হয়নি।