জেএফএ অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্তপর্বের ‘ক’ গ্রুপ থেকে আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ঠাকুরগাঁও ও রাজশাহী জেলা। আজ সোমবার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে মুখোমুখি হয় দল দুটি।

 

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সোমবার রাতে রাজশাহী জেলাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ঠাকুরগাঁও জেলা। ঠাকুরগাঁও এর হয়ে জোড়া গোল করেছেন কল্পনা। অপর গোলটি করেছেন শারমিন। সোমবার ম্যাচের ১৮ মিনিটে কল্পনা গোল করে এগিয়ে নেন ঠাকুরগাঁওকে। তার গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় শিরোপা প্রত্যাশীরা। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে শারমিন গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। আর ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে কল্পনা গোল করে তার জোড়া গোল পূর্ণ করলে ঠাকুরগাঁও ৩-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

 

তিন ম্যাচের তিনটিতেই জিতে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে ‘ক’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হল ঠাকুরগাঁও। তিন ম্যাচের ২টিতে জিতে ও ১টিতে হেরে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানার্স-আপ হয়েছে রাজশাহী জেলা। সেমি ফাইনালে ‘খ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দলের মুখোমুখি হবে রাজশাহী জেলা। আর রানার্স-আপ দলের বিপক্ষে লড়বে ঠাকুরগাঁও।

 

ঠাকুরগাঁও তাদের প্রথম ম্যাচে ৫-০ গোলে হারিয়েছে মানিকগঞ্জকে। পরের ম্যাচে একই ব্যবধানে রাজবাড়ী জেলাকে হারায় তারা। আর আজ রাজশাহী জেলাকে ৩-০ ব্যবধানে হারাল ঠাকুরগাঁও।

 

অন্যদিকে  রাজশাহী জেলা তাদের প্রথম ম্যাচে তারা মানিকগঞ্জ জেলাকে ১২-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে ৩-১ গোলে হারিয়েছে রাজবাড়ি জেলাকে। আজ হেরেছে ঠাকুরড়গাও এর কাছে।

 

 

বাছাইপর্বের ছয়টি ভেন্যুর ছয় চ্যাম্পিয়নের সঙ্গে সেরা দুই রানার্স-আপ দলসহ মোট আটটি দল চূড়ান্তপর্বে অংশ নিয়েছে। ১০ নভেম্বর ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্টের পাওয়ার স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন।

 

চূড়ান্তপর্বের ‘ক’ গ্রুপে রয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা, রাজশাহী জেলা, মানিকগঞ্জ জেলা ও রাজবাড়ী জেলা। ‘খ’ গ্রুপে রয়েছে ময়মনসিংহ জেলা, টাঙ্গাইল জেলা, কুমিল্লা জেলা ও সাতক্ষীরা জেলা। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনাল খেলবে।

 

চূড়ান্তপর্বের চ্যাম্পিয়ন দল ৫০ হাজার ও রানার্স-আপ দল ২৫ হাজার টাকা প্রাইজমানি পাবে। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতা ৫ হাজার টাক করে পাবে। এ ছাড়া পাওয়ার স্পন্সর ওয়ালটন গ্রুপের পক্ষ থেকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়, ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়, সর্বোচ্চ গোলদাতা, সেরা গোলরক্ষক, সেরা রক্ষণভাগ, সেরা মিডফিল্ড ও সেরা আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে হোম অ্যাপ্লায়েন্স দিয়ে উৎসাহিত করা হবে।