২০ থেকে ২৫ আগস্ট দেশের ছয়টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয় জেএফএ কাপের প্রথম রাউন্ডের খেলা। ছয়টি ভেন্যুর ছয় চ্যাম্পিয়ন ও সঙ্গে সেরা দুই রানার্স-আপ দলসহ মোট আটটি দল চূড়ান্তপর্বে উত্তীর্ণ হয়। অক্টোবরে চূড়ান্তপর্বের খেলা মাঠে গড়ানোর কথা থাকলেও মাঠ না পাওয়ার কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। মাঠ পেলে নভেম্বরে মাঠে গড়াবে জেএফএ কাপ অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্তপর্ব।

 

মাঠের জন্য ইতিমধ্যে আবেদন করে রেখেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। আশা করা হচ্ছে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মাঠ পাওয়া যাবে। মাঠ পেলেই নভেম্বর থেকে মাঠে গড়াবে জেএফএ কাপের চূড়ান্তপর্ব। এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য ও মহিলা ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মিস মাহফুজা আক্তার কিরণ।

 

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মাঠের সমস্যার কারণে আমরা চূড়ান্ত পর্বের শিডিউল করতে পারছিলাম না। আশা করছি নভেম্বরে মাঠের সমস্যা দূর হবে। মাঠ পাওয়া সাপেক্ষে ২ নভেম্বর থেকে চূড়ান্তপর্ব মাঠে গড়াবে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে হবে চূড়ান্তপর্বের ম্যাচগুলো। এই পর্বেও আমাদের সঙ্গে পাওয়ার স্পন্সর হিসেবে আছে ওয়ালটন গ্রুপ।’

 

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ওয়ালটন গ্রুপের অপারেটিভ ডিরেক্টর (হেড অব স্পোর্টস এন্ড ওয়েলফেয়ার) এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) বলেন, ‘প্রথমে সাবিন খাতুনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানাচ্ছি। সাবিনা এই জেএফএ কাপের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছিল। সে আজ আমাদের মাঝে নেই। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার। ২৫ আগস্ট জেএফএ কাপের প্রথম রাউন্ড শেষ হলেও মাঠ না পাওয়ার কারণে ফুটবল ফেডারেশন চূড়ান্তপর্ব শুরু করতে পারেনি। তবে ফেডারেশনের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। মাঠ পাওয়া সাপেক্ষে নভেম্বর থেকে শুরু হবে জেএফএ কাপের চূড়ান্ত পর্ব। আশা করছি এবারের এই আসরটি বেশ জমজমাট হবে। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের জন্য দারুণ দারুণ কিছু প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে। যারা আমাদের মহিলা ফুটবলকে এগিয়ে নিবে। সমৃদ্ধ করবে আমাদের পাইপলাইন।’

 

বাছাইপর্ব থেকে যেসব দল চূড়ান্তপর্বে উঠে এসেছে :

১. গাইবান্ধা ভেন্যু – ঠাকুরগাঁও অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা জাতীয় ফুটবল দল।

২. রাজশাহী ভেন্যু – রাজশাহী অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা জাতীয় ফুটবল দল।

৩. লক্ষ্মীপুর ভেন্যু – কুমিল্লা অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা জাতীয় ফুটবল দল।

৪. রাজবাড়ী ভেন্যু – রাজবাড়ী অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা জাতীয় ফুটবল দল।

৫. যশোর ভেন্যু – সাতক্ষীরা অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা জাতীয় ফুটবল দল।

৬. শেরপুর ভেন্যু – ময়মনসিংহ অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা জাতীয় ফুটবল দল।

৭. ১ম রানার্স-আপ – টাঙ্গাইল অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা জাতীয় ফুটবল দল

৮. ২য় রানার্স-আপ – মানিকগঞ্জ অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা জাতীয় ফুটবল দল।

 

চূড়ান্তপর্বের চ্যাম্পিয়ন দল ৫০ হাজার ও রানার্স-আপ দল ২৫ হাজার টাকা প্রাইজমানি পাবে। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতা ৫ হাজার টাক করে পাবে। এ ছাড়া পাওয়ার স্পন্সর ওয়ালটন গ্রুপের পক্ষ থেকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতাকে হোম অ্যাপ্লায়েন্স দিয়ে উৎসাহিত করা হবে।