‘ঢাকায় ব্লকরেইড দেওয়া হচ্ছিল, তথ্য অনুসন্ধানে আমরা হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালে একজন জঙ্গির অবস্থান পাই। আমাদের যে তথ্য আছে তার সঙ্গে একাধীক লোক থাকতে পারে। তার সহযোগীরা ঢাকায় থাকতে পারে। তাদের সঙ্গে যারা আছে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
আজ বুধবার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে ‘শব্দ দূষণ ও হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা সাইফুলের বিষয়ে তদন্ত করেছি। এতে তার ও তার পরিবারের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল এবং তার প্রিভিয়াস কি সম্পৃক্ততা ছিল তা জানা গেছে। এটা নিশ্চিত করতে আরও তদন্ত প্রয়োজন। এই মুহূর্তে বড় ধরনের জঙ্গি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের কোনো সম্ভবনা নেই। তবে বিচ্ছিন্নভাবে দুই একটি ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এসব ঘটনা আমরা তদন্ত করছি।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার পান্থপথের হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালে আত্মঘাতী কিস্ফোরণে খুলনার ডুমুরিয়ার সাইফুল ইসলাম নামে এক শিবির কর্মী নিহত হয়। এদিকে মঙ্গলবারের ওই ঘটনায় কলাবাগান থানায় আজ বুধবার দুপুর পর্যন্ত মামলা হয়নি।
পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, এ ব্যাপারে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অপরদিকে নিহত সাইফুলের লাশের ময়না তদন্ত বুধবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে
 সম্পন্ন হয়নি। তবে কলাবাগান থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের পরই ময়না তদন্ত সম্পন্ন হবে।