আব্দুর রহমান(জসিম), চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :- আকন্দবাড়ীয়ার মাদকস্পটে দাঁড়িয়ে এবার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন বিতর্কীত সেই বিজিবি হাবিলদার চুয়াডাঙ্গার সব সম্পাদক প্রকাশক আর সাংবাদিকরা মাদক ব্যবসায়ী আর মাদকসেবী, আঁতে ঘা লাগার কারণে আকন্দবাড়ীয়া দর্শনা ও জেলাব্যাপী আলোচিত সমালোচিত ও হাজারো অভিযোগে অভিযুক্ত সেই বিতর্কীত বিজিবি হাবিলদার এবার প্রকাশ্যে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন সাংবাদিক সমাজের বিরুদ্ধে। তিনি আজ বিকালে চুয়াডাঙ্গা থেকে জীবননগর যাওয়ার সময় ক্রাইম নিউজ 24 এর সম্পাদক ও প্রকাশক সাকিবকে সহ লাঞ্চিত করলেন প্রকাশে। পথের মাঝখানে মোটরসাইকেল দাঁড় করিয়ে তিনি সাকিবের ব্যাগ ও শরীর তল্লাশী করলেন দৃষ্টিকটু ভাবে। এসময় সাংবাদিক পরিচয় দেয়ায় তেলেবগুনে আরো দশ গুন জ্বলে উঠলেন দাড়িওয়ালা এ হাবিলদার। আর চিৎকার করে অশ্লীল গালাগালিসহ পাঞ্জাবীর কলার চেপে হ্যাচকা টানে নামিয়ে নিলেন তরুণ সাংবাদিক সাকিবকে মোটরসাইকেল থেকে। সাংবাদিক বা পথ চলতি মানুষের সাথে এ রকম অশোভন আচরণ ঠিক নয় বলা মাত্র হাবিলদার সাহেব সিনেম্যাটিক স্ট্যাইলে ভিলেনি হাসি হেসে বললেন ” তোদের চুয়াডাঙ্গার সব সম্পাদক প্রকাশক আর সাংবাদিকরা হলো মাদক ব্যবসায়ী আর মাদকসেবী। তোদের অনেক সাংবাদিক খায় আমার সামনেও। তাই তোদের আমি চিনি ভালো করেই। তাছাড়া আমি বাতাসে উড়ে আসেনি, আমার জন্মস্থান আলমডাঙ্গার পাইকপাড়া- সূতাইল গ্রামে। তিনি দম্ভের সাথে আরো বললেন চুয়াডা শহরেও আছে আমার দুটো ভিআইপি বাড়ী, তোর ফকিন্নী সাংবাদিক বাবারা এরকম একটা বাড়ীর মালিক হতে পারবেনা সাত জনমেও।
আর আঙ্গুলের ইশারায় আকন্দবাড়ীয়া এলাকার ঘর বাড়ী দেখিয়ে বললেন – এ এলাকায় যে সব পাকা দালানকোঠা আছে এরা সব আমার আত্মীয়। এদেরকে খবর দিলে এখনই তেকে গণধোলাই দিয়ে ছিনতাইকারী বলে চালান করে দেবে।
এ ধরণের আপত্তিকর কথাবার্তা আর সীলমাহীন দৃষ্টতা দেখিয়ে ফের সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের তোপের মুখে পড়লেন এ এলাকায় বিজিবিতে কর্মরত সেই দাড়িওয়ালা বিতর্কীত হাবিলদার। যার সাথে এ এলাকার শীর্ষ মাদক হুন্ডি চোরাকারবারীর অন্যতম গডফাদার একরাম রতন ইমাম অায়নালের সাথে আত্মীয়তার সূত্রে তার রয়েছে মাখামাখি সম্পর্ক। তাছাড়া গোপনে সে এসব অবৈধ ব্যবসার অন্যতম প্রধান পরিচালক, টাকালগ্নীকারী ও মোটা অংকের ভাগিদারও বলেও জনশ্রুতি আছে।
চাকরীর নিয়মনীতি ও বিধিমালা অনুযায়ী নিজ এলাকায় বা আত্মীয়স্বজন পরিবেষ্টিত এলাকায় ডিউটি করার নিয়ম না থাকলেও এ হাবিলদারের যাবতীয় বিতর্কীত কর্মকান্ড চলছে বছরের পর বছর বহাল তবিয়তে। তার খুঁটির জোর কোথায়, এ প্রশ্ন ও গুঞ্জন রয়েছে শুরু থেকেই।
এদিকে খোঁজ খবর নিয়ে আসল সত্যতা পাওয়া যায় অভিনব তথ্য। আকন্দবাড়িয়া এলাকায় তার পরম আত্মীয় ও কথিত দু নাম্বার জগতের পার্টনার- আলী আহম্মদের ছেলে একরাম রতন ও ইমামের চোরাচালান, হুন্ডি পাচার ও মাদক ব্যবসার একটি অনুসন্ধানী রিপোর্ট দৈনিক আমাদের সংবাদ পত্রিকায় ছাপা হওয়ায় তিনি বেজায় নাখোশ সাংবাদিক মহলের উপরে। তাই ক্ষোভে অন্ধ হয়ে আর দর্শনা আকন্দবাড়ীয়া এলাকায় ব্যাপক অভিযান শুরু হওয়ায় তিনি সাংবাদিক শায়েস্তা করার অঘোষিত এ মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন।
তাকে প্রথমে দেখলে খুব পরহেজগার বলে প্রতিয়মান হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেয় বোঝা যায় আদব কায়দা শিক্ষাদীক্ষা কোনটিই নেই তার ভিতর। এমনকি পেশাগত শৃঙ্ক্ষলা বোধের এতটুকু অবশিষ্ট নেই তার মধ্যে। অবৈধ টাকার গরমে তিনি কাউকেও তোয়াক্কা করেন না। তিনি প্রকাশ্যেই বলে বেড়ান কে অফিসার আর কে সেপাই এটি কোন বিষয়ই নয়। কে কত টাকার মালিক এটিই পুরুষের আসল পরিচয়।##
আব্দুর রহমান(জসিম)