চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের ও পরিক্ষিত। এ সম্পর্ক কেবল শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, বানিজ্য, প্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প, বিজ্ঞান এবং শিক্ষাসহ এ সম্পর্কের ভিত্তি বহুমাত্রিক। প্রযুক্তির নানাবিধ উন্নয়নে চীন বর্তমানে বিশ্বে উর্ধ্বগামি অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশও বর্তমানে বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সর্বজনবিদিত। এ বছরের মার্চেই বাংলাদেশের এলডিসিভুক্ত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিনিত হওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে আজকের এই শিক্ষামুলক অনুষ্ঠান চীন বাংলাদেশ এর মজবুত অবস্থানকে আরও বেগবান করবে বলে অভিমত ব্যক্তকরলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি জনাব রাশেদ খান মেনন, এমপি।
আজ ২৮ জানুয়ারি, রবিবার সকাল ১০ টায়, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারে, চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশের অন্যতম ইউন্নান প্রদেশের ইউন্নান প্রভিনশিয়াল ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশনের উদ্যোগে এবং চীনের ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী   এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী জনাব রাশেদ খান মেনন, এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জনাব এম এ মান্নান এমপি, প্রাক্তণ শিক্ষা ও আইসিটি সচিব জনাব নজরুল ইসলাম খান।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন “গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের সাথে পশ্চিম এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশ নিয়ে রেল, সড়ক, শিক্ষাসহ অন্যান্য আধুনিক যোগাযোগ সুবিধার সম্পর্ক উন্নয়নের যুগোপযোগি নেটওয়ার্ক এর উদ্যোগ নিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মি. ঝি জিং পিং। সেটাই এখন বেল্ট এন্ড রোড হিসেবে স্বীকৃত।”
সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন “চীন বাংলাদেশের মধ্যে যে যোগসূত্র তা সাধারণ কোন যোগসূত্র নয় বরং এটি হতে যাচ্ছে পৃথিবীর বৃহত্তম অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতির উন্নয়ন। এটির পরিধি কেবল চীন ও পশ্চিম দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের মধ্যে সীমবদ্ধ থাকবে না, এটির প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে গোটা বিশ্ব সভ্যতায়। ”
সমাজকল্যাণমন্ত্রী আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এরকম একটি মহতী উদ্যোগের অংশ হতে পেরে আয়োজক সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।