বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাত ১২ তা ৪০ মিনিটে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার, ঠোটাপাড়া গ্রামের কৃতিসন্তান। বর্তমান ঢাকার পল্লীবীস্থ আদর্শনগরের নিবাসী। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র সন্তানসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ শুক্রবার বাদ জুম্মা পল্লীবীস্থ এভিনিউ ৫ বটতলা বায়তুর রাহমত জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

আমাদের এই রাজা মানুষকে আনন্দ দিতে কোন দিনই বেইমানি করেনি।
বরং এই রাজা দেশের অসংখ্য ক্রিকেট প্রেমী, বই প্রেমীদেরকে বাংলা একাডেমীর মেলা চত্বরে ভাষা শহীদদের ভাস্কর্যের সামনের দাড়িয়ে আপন মনে বছরের পর বছর বাঁশি বাজিয়ে আনন্দ দিয়ে গেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রখ্যাত বংশীবাদক মোঃ আলাউদ্দিন খাঁ বিশেষ বিশেষ দিনে রাজার পোষাক পড়ে (যেমন: একুশে ফ্রেব্রুয়ারী, বিজয় দিবস এবং ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষনের দিন) সহ রাষ্ট্রীয় কোন বিশেষ অনুষ্ঠানের দিনই কেবল এই পোষাকে নিজেকে সাজিয়ে মনে করিয়ে দিতেন বাংলার সেই নবাব সিরাজ-উদ-দৌলাকে।

এই রাজা দেশের জন্য ৮নম্বর সেক্টরে আবু ওসমান চৌধুরীর নেতৃত্বে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছেন। অথচ এখন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেটও পাননি। দেশের মানুষকে আনন্দ দিতে রাজার পোশাক পরে এক অনুষ্ঠান শেষ করে আরেক অনুষ্ঠানে যান বিনা আমন্ত্রনেই। তিনি বাঁশি বাজানো শিখেছেন বিখ্যাত বংশী বাদক আব্দুর রহমানের কাছ থেকে। তিনি লিভার, ডায়াবেটিকস সমস্যায় দীর্ঘদিন যাবৎ শয্যাশায়ী ছিলেন। কেউ তার খোজ খরব নেয় নি।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন ক্রিকেট প্রেমী এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম বুলু, জনস্বার্থে বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট মো. বাবুল হোসেন, মহাসচিব মো. সাইফুল ইসলাম, শরীয়তপুর ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মো. বাচচু বেপারী, বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যাবসায়ী এসোসিয়েশনের সদস্য মো. জালাল আহমেদ ও ইব্রাহিম খান। কেউ যদি যোগাযোগ করতে চান তাহলে নিম্ন এই ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছেন তার বড় ছেলে মোঃ জুয়েল, বাসা নং- ১২ (৬ষ্ঠ তলা দক্ষিণ পাশ), রোড নং- ১২, এভিনিউ- ০৫, ব্লক- সি, সেকশন- ১১, ব্লক- সি, বট তলা, পল্লবী, ঢাকা- ১২১৬।