গনহত্যার দায়ে অং সাং সুচি এবং গার্মেন্টস শ্রমিক নির্যাতনের দায়ে প্রফেসর ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস এর কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে গার্মেন্টস শ্রমিকেরা। আজ ১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ কমূসূচী পালন করা হয়। জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচীতে প্রফেসর ডঃ মোহাম্মদ ইউনুসের মালিকানাধীন ঢাকা ইপিজেডের গ্রামীন নীট ওয়্যারের শ্রমিকেরা সহ শতাধিক গার্মেন্টস শ্রমিক অংশ নেয়।
কর্মসূচী থেকে বলা হয় ঃ
নোবেল জয়ী অং সাং সুচি ঃ আমরা সহ সারা পৃথিবীর মানুষ একদিন তাঁর মুক্তি দাবী করেছে, বার্মায় সামরিক শাসনের অবসান দাবী করেছে, তিনি শান্তির জন্য নোবেল পেয়েছেন। কিন্তু সেই সুচি আজ ঃ ১. শত শত মানুষকে নিশংস ভাবে হত্যা করছেন। ২. শত শত শিশুকে হত্যা করছেন ৩. হাজার হাজার নারীকে ধর্ষনে সহযোগীতা করছেন ৪. হাজার হাজার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছেন ৫. লক্ষ লক্ষ মানুষকে জন্মভূমি ত্যাগ করতে বাধ্য করছেন ৬. ৭ লক্ষাধীক মানুষ রোহিঙ্গা ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এ সকল কাজ গন হত্যার সামিল।
নোবেল জয়ী প্রফেসর ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস ঃ শান্তির জন্য এবং দারিদ্র দূরীকরনের জন্য নোবেল পেয়েছেন। কিন্তু সেই নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস ঃ ১. মৌলিক অধিকার লংঘনের নির্ধারিত জায়গা ইপিজেড এ গার্মেন্টস করেছেন। ২. ২ বছর আগে তার কারখানায় শ্রমিকেরা বেতন বৃদ্ধি এবং বাৎসরিক অর্জিত ছুটির টাকা দাবী করেছে, কিন্তু তিনি সেটা পূরন করেননি। ৩. শ্রমিকদের দাবীকে নস্যাৎ করার জন্য তার কারখানায় গোলযোগের নাটক সাজিয়েছেন। ৪. গোলযোগের নাটক করে ২ শতাধীক শ্রমিককে চাকুরী থেকে বাদ দিয়েছেন। ৫. বাদ দেয়া শ্রমিকদের আইনানুগ ক্ষতিপূরন প্রদান করেননি। ৬. ৮১ জন শ্রমিকের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ২ বছর যাবৎ পুলিশ দিয়ে হয়রানী করছেন। ৭. গোলযোগের নাটকের দিন ছুটিতে থাকা শ্রমিকদেরও তিনি মামলার আসামি করেছেন। ৮. মের্টানিটির ছুটিতে থাকা নারী শ্রমিকদেরকেও তিনি রেহাই দেননি। ৯. চাকুরীচ্যুত শ্রমিকেরা তাকে লিখিত ভাবে জানানোর পরও তিনি এগুলো ফয়সালা করেননি। ১০. ৭৯ জন শ্রমিক তার নামে মামলা করেছে শ্রম আদালতে কিন্তু তিনি আদালতেও হাজির হচ্ছেননা। এগুলো জঘন্য অপরাধ এবং গার্মেন্টস শ্রমিক নির্যাতনের পথ।
আমরা তাই গন হত্যার দায়ে নোবেল জয়ী অং সান সূচি এবং গার্মেন্টস শ্রমিক নির্যাতনের দায়ে নোবেল জয়ী প্যফেসর ডঃ মোহাম্মদ ইউনুসের কুশপুত্তলিকা দাহ করছি।
ফডারেশনের সভাপতি জনাব আমিরুল হক্ আমিন এর সভাপতিত্বে এ কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন ঃ ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক মিস আরিফা আক্তার, কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ ফারুক খান, মিস সাফিয়া পারভীন,মোঃ কবির হোসন, মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, মোঃ ফরিদুল ইসলাম।
কর্মসূচীতে সংহতি বক্তব্য রাখেন ঃ বাংলাদেশ যুবমৈত্রির কেন্দ্রীয় সভাপতি জনাব সাব্বাহ আলী খান কলিন্স এবং বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সহ সাধারন সম্পাদক জনাব শামিউর রহমান সজীব।