কঠিন চ্যালেঞ্জ পাড়ি দিতে তৃতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১২৭ রান।
তারা উইকেট হারায় তিনটি। তাই উইকেটে টিকে থাকার পাশাপাশি সতর্কতার সাথে প্রতিটি সেশন পার করাটাও জরুরি।

তবে দিনের শুরুটা মোটেও ভালো হলো না টাইগারদের। স্কোর বোর্ডে ৩১ রান যোগ করতেই ৩৯ রান করে বিদায় নেন তামিম। আন্দিল পেহলুকওয়ের বলে কুইন্টন ডি ককের তালুবন্দি হন তিনি। তবে অর্ধশতক তুলে নিয়ে আশার প্রদীপ হয়ে ব্যাট করছে মুমিনুল হক। সঙ্গে আছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ চার উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২১৪ রান। মুমিনুল ৬৮ রানে অপরাজিত। সঙ্গী মাহমুদুল্লাহ অপরাজিত ২৬ রান নিয়ে।

এর আগে, সফরকারীদের হয়ে ওপেনিংয়ে নামেন লিটন দাস এবং ইমরুল কায়েস। ব্যক্তিগত ৭ রান করে কাগিসো রাবাদার লাফিয়ে ওঠা বলে খোঁচা মেরে স্লিপে মার্কারামের তালুবন্দি হন ইমরুল। দলীয় ১৬ রানের মাথায় বাংলাদেশ প্রথম উইকেট হারায়। ইমরুলের পর বিদায় নেন ২৯ বলে চারটি বাউন্ডারিতে ২৫ রান করা লিটন দাস। মরনে মরকেলের বলে হাশিম আমলার তালুবন্দি হন তিনি। দলীয় ৩৬ রানে দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

সাময়িক বিপর্যয় সামলে নিয়ে দলকে টেনে তুলতে থাকা দলপতি মুশফিকুর রহিম কেশব মহারাজের বলে মার্কারামের তালুবন্দি হওয়ার আগে ৫৭ বলে সাতটি চার আর একটি ছক্কায় করেন ৪৪ রান। ১০৩ রানের মাথায় টপঅর্ডারের তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। রানের নিচে চাপা পড়া বাংলাদেশ ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শেষ করে ৩ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান তুলে।

এর আগে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনের খেলা শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪৬ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ৪৯৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। তেমবা বাভুমা ৩১ এবং দলপতি ফাফ ডু প্লেসিস ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন। অভিষেক ইনিংসেই তরুণ ওপেনার মার্কারাম ৯৭ রান করেন। দলীয় ১৯৬ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সাব্বির-মেহেদির প্রচেষ্টায় রান আউট হওয়ার আগে মার্কারাম ১৫২ বল খেলে ১৩টি চারের সাহায্যে তার ইনিংসটি সাজান।