ঢাকা, ৫ ভাদ্র (২০ আগস্ট) :
সাম্প্রতিক বন্যায় দেশব্যাপী বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের ২৩টি পয়েন্টে এক থেকে তিন কিলোমিটার এখনও পানির নিচে ডুবে আছে। এছাড়া, বন্যার পানির প্রবল তোড়ে ভেসে গেছে উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কের ১৮টি স্থানের সড়কাংশ।

সড়ক-মহাসড়ক যান চলাচলের উপযোগী রাখতে দিনরাত কাজ চলছে। বৃষ্টি না হলে ঈদের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত সড়কসমূহ যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মন্ত্রী আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সারাদেশে বন্যায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষয়ক্ষতি এবং ঈদ প্রস্তুতি নিয়ে এক জরুরি সভাশেষে ব্রিফিং-এ একথা জানান। এসময় তিনি বলেন, মহাসড়কের উপর কিংবা পাশে কোরবানির পশুরহাট বসানো যাবে না এবং ফিটনেসবিহীন গাড়িতে কোরবানির পশু বহন করা যাবে না।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঈদযাত্রায় চাপ কমাতে গার্মেন্টসগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিনে ছুটি দেয়ার জন্য বিজিএমইএ’কে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া ঈদের আগে পাঁচদিন এবং পরে পাঁচদিন সড়ক-মহাসড়ক সংলগ্ন সিএনজি স্টেশনসমূহ চব্বিশ ঘণ্টা খোলা রাখার বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, যানজট এড়াতে ঈদের আগে তিন দিন ট্রাক, লরি, কাভার্ড ভ্যানসহ ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া ঈদযাত্রায় পরিবহণের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে মহানগরীর বিভিন্ন টার্মিনালে ভিজিলেন্স টিম কার্যকর থাকবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এমএএন ছিদ্দিক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান মো. মশিয়ার রহমান, ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আহম্মদসহ মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ সংস্থাসমূহের মাঠ পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।