শাকিল মুরাদ, শেরপুর প্রতিনিধি:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন এমপি বলেছেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে নিরাপদ ও বাসযোগ্য রাখা, জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা বিধান করা। এজন্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করছেন এবং পুলিশের আধুনিক আবাসস্থল ও উন্নত যানবাহনের ব্যবস্থা করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় নালিতাবাড়ীতে নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, নতুন থানা ভবন ও ফায়ার সার্ভিস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ৯নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার আড়াইআনি পুলিশ ফাঁড়ির ভিত্তিফলক উন্মোচন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা আমাদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। রোহিঙ্গাদের দু:খ দূর্দশা আমরা সহ্য করতে পারিনি, তাই তাদের আমাদের এখানে জায়গা দিয়েছি। টেকনাফ ও উখিয়ার মোট জনগণের চেয়ে তিন গুণ বেশি রোহিঙ্গা এসে জায়গা নিয়েছে। কাজেই আমরা নানা ধারণের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমরা ১২ সদস্যের দল মিয়ানমারে গিয়েছিলাম। সেখানে তাদের সাথে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছ। সে চুক্তিতে ৩০নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমসংখ্যক প্রতিনিধি নিয়ে একটি ‘জয়েন্ট ওয়াকিং গ্র“প’ তৈরি করা হবে। সেই ওয়ার্কিং গ্র“পই সিদ্ধান্ত নিবে কিভাবে, কখন রোহিঙ্গাদের নিজদেশে ফেরত পাঠানো হবে। এছাড়া তাদের কিভাবে উন্নয়ন হবে সে বিষয়েও ওয়র্কিং গ্র“প কাজ করবে।

এসময় কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী তার সাথে ছিলেন। পরে মন্ত্রীদ্বয় নালিতাবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও নালিতাবাড়ী থানার নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন। তাদের সাথে শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী এ.কে.এম ফজলুল হক, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার জিএম সালেহ উদ্দিন, রেঞ্জ ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দিন ভুঁইয়া, জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান গণি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) তরফদার সোহেল রহমান,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযদ্ধিা জিয়াউল হোসেন,সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক,নকলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জিন্নাহ,সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রীদ্বয় নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদের মুক্তমঞ্চে বিজিবি, আনসার, থানা ভবন এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার সকল ইউনিয়নের আনসার-ভিডিপি সদস্য ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২য় থেকে ১০ শ্রেনী পর্যন্ত প্রতি শ্রেনীর সেরা ২০ শিক্ষার্থীর মাঝে সোলার বাতি বিতরন করেন।