দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেছেন, রোহিঙ্গারা যদি অপারাধে জড়ায় তাহলে তাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না। ইতোমধ্যে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে এবং আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।
আজ বৃহষ্পতিবার চাঁদপুরের মতলবে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা আমরা অচিরেই কাটিয়ে উঠতে পারবো, তবে এর জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এখনো ত্রাণ তৎপরতা ও পুনর্বাসন কাজ অব্যাহত রয়েছে। বন্যা মোকাবিলার জন্য সরকার বন্যাপ্রবণ এলাকায় নতুন নতুন আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের ঘরবাড়ি উঁচু করে দিচ্ছে।
রোহিঙ্গাদের সার্বিক সহায়তায় এগিয়ে আসায় তুরস্ক সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিগত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার পরিবারের জন্য ৩০০ মেট্রিক টন ত্রাণ সামগ্রী দিয়েছে তুরস্কের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা টিকা। পরিবার প্রতি ৩০ কেজি করে ১০ হাজার প্যাকেটের মাধ্যমে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
এ সময়ে টিকা’র সমন্বয়কারী আহমেদ রেফিক চিটিংকায়া, উপ সমন্বয়কারী শেরিফ উজতুর্ক, আলোকিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখার হোসেন, চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী ওচমান গনি পাটোয়ারী, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন ভূইঁয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।